১বছরপর প্রতিশ্রুতি পূরণ: গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ালেন পাজেপ সদস্য খগেশ্বর

IMG_20160514_175614নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতিশ্রুতি প্রদানের একবছর পর খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলার বি.কে উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ট থেকে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত গরীব পরিবারের ২০জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিকট আর্থিক সহযোগিতার নগদ অর্থ পৌছে দিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও শিক্ষানুরাগী খগেশ্বর ত্রিপুরা।

শনিবার বিকালে বেলছড়ি শিবমন্দির প্রাঙ্গনে ২০জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে প্রতিশ্রুতিকৃত আর্থিক অনুদানের অর্থ প্রদান করেন পাজেপ সদস্য খগেশ্বর ত্রিপুরার প্রেরিত প্রতিনিধি বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লব কান্তি ত্রিপুরা। জানা যায়, শারীরিক অসুস্থতার কারনে পাজেপ সদস্য খগেশ্বর ত্রিপুরা অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পারেননি। আর্থিক সহযোগিতা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন বেলছড়ি মৌজার মৌজা প্রধান শুভরঞ্জন রোয়াজা, বেলছড়ি শিবমন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারন সম্পাদক তরুনসেন ত্রিপুরা ও গোমতি ইউনিয়নের সমাজসেবক কেতু চন্দ্র ত্রিপুরা, গোমতির গোদাম পাড়ার কার্বারী চন্দ্রহার ত্রিপুরা, গড়গড়িয়া মৌজার মৌজা প্রধান সিভিল রোয়াজা প্রমূখ।

জানা যায়, গতবছরের ২২মার্চ পাজেপ সদস্য খগেশ্বর ত্রিপুরা পার্বত্য জেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরাম এর আয়োজনে গোমতি বিকে উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে অনুষ্ঠিত কৃতি ছাত্র-ছাত্রীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করে গরীব অসহায় পরিবারের ২০জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০হাজার টাকা আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। প্রতিশ্রুতি মোতাবেক তালিকা অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা পেয়েছে বিদ্যালয়টির ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ম্যাডোনা ত্রিপুরা, ৭ম শ্রেণির ছাত্র প্রনয় ত্রিপুরা, ৮ম শ্রেণির জুলি ত্রিপুরা, কলাসি মালা ত্রিপুরা, তাহমিনা ত্রিপুরা, রেখা বিতি ত্রিপুরা, ৯ম শ্রেণির হৃদয় বিকাশ ত্রিপুরা, প্রদীপ কুমার ত্রিপুরা, তৃষা ত্রিপুরা, কবি রানী ত্রিপুরা, শান্তনা ত্রিপুরা, কাকলী ত্রিপুরা ও ভূবন বালা ত্রিপুরা। এদিকে, ১০ শ্রেণি হতে সহযোগিতা পেয়েছে শান্তনা ত্রিপুরা, রেখা ত্রিপুরা, পুশিকা ত্রিপুরা, কনিকা ত্রিপুরা, ধন কিশোর ত্রিপুরা, অক্ষয় ত্রিপুরা ও কবিতা ত্রিপুরা।

প্রতিশ্রুতি পূরণে কেন একবছর সময় লেগেছে এমন প্রশ্নে পাজেপ সদস্য খগেশ্বর ত্রিপুরা বলেন, আমি অসুস্থ থাকার কারনে প্রতিশ্রুতি পূরণে কিছুটা সময় লেগেছে। তিনি বলেন, পাহাড়ের পশ্চাৎপদ এলাকার গরীব পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে সামর্থ অনুযায়ী সহযোগিতা প্রদান করা হলে পাহাড়ের ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে আসবে এবং জননেত্রী প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মান সম্ভব হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*