মুক্তিযুদ্ধে ত্রিপুরা অবিস্মরণীয় সহায়তা দিয়েছিল : অর্থমন্ত্রী

Abul Maalপার্বত্যবাণী ডেস্ক: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের জনগণের প্রতি ত্রিপুরা যেভাবে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল, তা স্মরণীয়। সেই অবিস্মরণীয় সহায়তার কথা বাংলাদেশ কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে থাকে।  বৃহস্পতিবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ-ত্রিপুরা সাংস্কৃতিক উৎসব পর্ষদ দু’দিনব্যাপী আয়োজনে বাংলাদেশ-ত্রিপুরা সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ-ত্রিপুরা সাংস্কৃতিক উৎসব পর্ষদের সভাপতি রামেন্দু মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, ত্রিপুরা সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদলের নেতা গৌতম দাস, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, সেলিম শামসুল-উদা চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ত্রিপুরার সহায়তার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মুহিত বলেন, বাংলাদেশের জন্মের সাথে ত্রিপুরার নাম জড়িয়ে আছে। সেই দুর্দিনে তারা পরম বন্ধুর ভূমিকা রেখেছিল। তিনি বলেন, শিল্প-সম্ভারে ত্রিপুরা সমৃদ্ধ। ত্রিপুরার সাথে পারস্পারিকভাবে এর আদান-প্রদানের মাধ্যমে আমরাও সমৃদ্ধ হতে পারি। এজন্য তিনি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে এ ধরনের উৎসব আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে লিয়াকত আলী লাকী বলেন, ভারতের সাথে আঞ্চলিক পর্যায়ে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের বাংলা ভাষাভাষীর মানুষ আঞ্চলিক সাংস্কৃতি বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় অঞ্চলের জনগণ আরো সমৃদ্ধ হতে পারে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ ধরনের বিনিময় কার্যক্রমের অবারিত সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই। ত্রিপুরা সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদলের প্রধান গৌতম দাস দুই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে বাংলাদেশকে ত্রিপুরায় সাংস্কৃতিক উৎসব করার আহবান জানান। দু’দিনব্যাপী এই সাংস্কৃতিক উৎসবে বাংলাদেশের পাশাপাশি ত্রিপুরার সাংস্কৃতিক প্রতিনিধিদল নৃত্য, সঙ্গীত, নাটক, আবৃত্তি পরিবেশন করবে। এছাড়া চিত্রকলা প্রদর্শনীও থাকবে।

নিউজ সূত্র: দৈনিক কালেরকণ্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*