প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখা ও প্রতিবাদ

bbbগত ৭জুন’২০১৬ ইং তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যম ও আঞ্চলিক প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত ‘‘মাটিরাঙায় স্কুলের মালামাল বিক্রির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক জনতার হাতে আটক’’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে প্রতিবেদকরা তথ্য প্রদানে ভুলবশত: অসম্পূর্ণতা রেখেছেন। মূলত: দেশের প্রচলিত আইনানুসারে এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষককে আটকের কোন ঘটনা ঘটেনি।
প্রকাশ থাকে যে, মাটিরাঙা উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ের গত ৩০/০৮/২০১৫ খ্রি: তারিখের স্মারক নং-উশিঅ/মাটি/খাগড়া/১৫/৪১২ মূলে ১২/০৩/২০১৫খ্রি: তারিখে জেলা নিলাম কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে সূত্র: নং-জেপ্রাশিঅ/খাগড়া/৯০৩/১৬, তারিখ: ০৫/০৮/২০১৫ মূলে প্যাকেজের আওতায় ০৪ (চার) টি বিদ্যালয়ের (বলিচন্দ্র  পাড়া সপ্রাবি, হেমেন্দ্র হেডম্যান সপ্রাবি, গোমতি সপ্রাবি ও গড়গড়িয়া সপ্রাবি) মালামাল সমূহ নিজ দায়িত্বে অপসারনের নিমিত্ত ‘‘মেসার্স জাহাঙ্গীর আয়রন মার্ট, চট্টগ্রাম’’ বরাবর কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছিল।
অথচ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত নিলাম গ্রহীতা সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রয়োজনীয় যানবাহন না পাওয়াতে পুরাতন মালামালগুলি তালিকানুযায়ী বিদ্যালয় থেকে অপসারন করতে পারেননি বলে আমি বোধগম্য। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে মৌখিক ভাবে উপজেলা শিক্ষা অফিস বরাবর তাগিদ দেয়া হয়েছিল।
সর্বশেষ গতকাল (মঙ্গলবার) নিলামকারী গাড়ী নিয়ে নিলামকৃত মালামাল অপসারন করতে আসলে এলাকার একটি কু-চক্রিমহল নিজেদের দাবীকৃত সুবিধা না পাওয়ায় আমাকে হেনস্ত করার অপচেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সাধারন জনসাধারনকে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে উস্কে দেয়।
উপরোক্ত ব্যাখা সমূহ ইতোমধ্যে একজন প্রধান শিক্ষক হিসেবে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তাসহ গণমাধ্যমকর্মীদের জানানো হলেও রহস্যজনক কারনে বিভিন্ন মিডিয়ায় বস্তনিষ্ঠ বিষয়টি এড়িয়ে ভুল ব্যাখ্যা সমেত বিবরণ দিয়ে প্রধান শিক্ষক আটক হয়েছে বলে ঢালাও ভাবে প্রচারনা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমি মর্মাহত হয়েছি।

ব্যাখ্যা প্রদানকারী
মো. রবিউল আলম
প্রধান শিক্ষক
গোমতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
মাটিরাঙা, খাগড়াছড়ি।
08.06.2016

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*