পাহাড়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে বিনিয়োগ করা আমার নেশা: উপবৃত্তি প্রদানকালে পাজেপ সদস্য খগেশ্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক: এবার অনন্য ও ব্যতিক্রমধর্মী বক্তব্য প্রদান করলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্যতম সদস্য শিক্ষানুরাগী খগেশ্বর ত্রিপুরা। তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ করা আমার নেশায় পরিণত হয়েছে। তিনি গতকাল শনিবার বিকালে জেলা শহরের খাগড়াপুরস্থ নিজ বাসভবনে পূর্ব ঘোষিত প্রতিশ্রুতিকৃত দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে উপবৃত্তি প্রদানকালে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগটি স্বল্প সময়ে লাভ বয়ে না আনলেও পরবর্তীতে একটি পশ্চাৎপদ অনগ্রসর সমাজকে বিকশিত করবে। তিনি বলেন, আমি বিনিয়োগ করার সুযোগ পেয়েছি শুধুমাত্র খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পদ পেয়ে। এ জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও খাগড়াছড়ি জেলার সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় তিনি আরো বলেন, শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ শুধু আমার একার নেশা নয়, বরং বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার।

এর আগে তিনি ২০১৬সালে খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ হতে এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ হতে জিপিএ এ+ প্রাপ্ত হাদুকপাড়া গ্রামের অনন্তকুমার ত্রিপুরা ও নীতিবালা ত্রিপুরা ছেলে দীপ্ত ত্রিপুরা এবং একই গ্রামের বিপ্লব কান্তি ত্রিপুরা ও দুলালী ত্রিপুরা মেয়ে খাগড়াছড়ি নতুন কুঁড়ি হাইস্কুলের শিক্ষার্থী মানবিক বিভাগ হতে জিপিএ এ+ প্রাপ্ত এ দুজনের হাতে ১০ হাজার টাকা করে ২০টাকার উপবৃত্তি প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পাহাড়ের কিংবদন্তি শিক্ষাবিদ স্যার নবীন স্মৃতি সংসদের সভাপতি বিপ্লব কান্তি ত্রিপুরা ও সাধারন সম্পাদক মহেশ্বর ত্রিপুরা এবং পাজেপ সদস্য খগেশ্বর ত্রিপুরার সহধর্মিনী।

এসময় সামাজিক এ সংগঠনটির সাধারন সম্পাদক মহেশ্বর ত্রিপুরা বলেন, পাজেপ সদস্য খগেশ্বর ত্রিপুরা ত্রিপুরা সম্প্রদায় হতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পদ লাভ করলে হাদুকপাড়া গ্রাম হতে স্যার নবীন স্মৃতি সংসদের আয়োজনে গত ৫জুন ২০১৫ সালে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছিল। সংবর্ধনায় সভায় প্রধান অতিথি পাজেপ সদস্য খগেশ্বর ত্রিপুরা হাদুকপাড়ার যে কোন শিক্ষার্থী এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ এ+ পেলে প্রতিজন হারে ১০হাজার টাকা উপবৃত্তি ঘোষণা দেন। সেই ঘোষনামতে এবছর এই পাড়া হতে দুইজন জিপিএ এ+ প্রাপ্ত দুইজনকে ২০হাজার টাকা প্রদান করায় আমরা সংগঠনের পক্ষ হতে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*