পশ্চাৎপদ সমাজের আলোর দিশারী নবীন কুমার ত্রিপুরা: পাজেপ সদস্য খগেশ্বর

jklনিজস্ব প্রতিবেদক: খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য শিক্ষানুরাগী খগেশ্বর ত্রিপুরা বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের অনগ্রসর ও পশ্চাৎপদ সমাজের আলোর দিশারী হয়ে অমর হয়ে রয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রয়াত নবীন কুমার ত্রিপুরা। শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে স্যার নবীন স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে জেলার পানছড়ি লতিবান ইউনিয়নের লাম্বা পাড়া শিব মন্দির প্রাঙ্গনে শিক্ষাবিদ নবীন কুমার ত্রিপুরার ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রয়াত স্যার নবীন কুমার ত্রিপুরার ত্রিপুরা জনগোষ্ঠিসহ শিক্ষাক্ষেত্রে সমাজকে এগিয়ে নিতে যে পরিত্যাগ করেছেন তা অবিস্মরণীয় থাকবে। এসময় তিনি খাগড়াছড়ি জেলার সাংসদ ও প্রয়াত নবীন কুমার ত্রিপুরার ছাত্র কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার নেতৃত্বে ওই এলাকায় নবীন স্মৃতি পাঠাগার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। এর আগে তিনি ব্যক্তিগত ভাবে ১০হাজার টাকা নগদ অর্থ প্রদান করেন। এর আগে প্রধান অতিথি শিক্ষাবিদ নবীন ত্রিপুরার স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

স্যার নবীন স্মৃতি সংসদের সভাপতি বিপ্লব কান্তি ত্রিপুরার সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন প্রবাসী কল্যান মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক প্রয়াত নবীন কুমার ত্রিপুরার সুযোগ্য পুত্র কবুলেশ্বর ত্রিপুরা, ৪নং লতিবান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শান্তি জীবন চাকমা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনবার্সন বিষয়ক সম্পাদক দয়ানন্দ ত্রিপুরা, ৫নং ভাইবোনছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেরিন ত্রিপুরা, পানছড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মংসাথোয়াই মারমা প্রমূখ। এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্যার নবীন স্মৃতি সংসদ, খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক মহেশ্বর ত্রিপুরা এবং প্রয়াত নবীন কুমার ত্রিপুরার জীবনী পাঠ করেন সাংগঠনিক সম্পাদক এ্ড. সৃজনী ত্রিপুরা।

প্রসংগত: জেলার পানছড়ি উপজেলার লতিবান মৌজার বর্তমান হেডম্যান পাড়ার সন্নিকটে তিলকফা নামক পাড়ায় ১০২৮ সনে ১এপ্রিল পিতা নবচন্দ্র ত্রিপুরা ও মাতা যতেনশ্বরী ত্রিপুরার ঘরে জন্ম গ্রহন করেন পাহাড়ের এই স্মরণীয় শিক্ষাবিদ। যিনি ৭৯বছর বয়সে বিগত ২০০৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে দেহত্যাগ করেন।

তাঁর জীবনী নিয়ে পার্বত্যবাণীতে বেশ কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*