জমে ওঠেছে চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচন: ডজন পদে ১৬জনের লড়াই ৮মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৮মার্চকে টার্গেট করে খাগড়াছড়িতে জমে ওঠেছে চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ এর নির্বাচন। নির্বাচনী বিধিমতে পোষ্টারিং করার বিধি-নিষেধ থাকায় প্রার্থীরা লিফলেট হাতে নিয়ে ও নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে-দুয়ারে গিয়ে প্রচারনা চালাচ্ছেন। প্রার্থী ও প্রার্থীর স্বপক্ষের গণসংযোগে শহরের চা-চক্রের টেবিল হতে সর্বমহলে এখন আলোচনার তুঙ্গে এ নির্বাচন। ব্যবসায়ীদের সার্বিক উন্নয়নের সংগঠন চেম্বার অব কমার্স হলেও রাজনৈতিক মহলে চলছে এ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা।  নির্বাচনকে সামনে রেখে ১২টি সাধারন সদস্য পদে লড়ছেন ১৬জন প্রার্থী। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে হেভিওয়েট প্রার্থী, সংগঠন পরিচালনার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ও তরুন মুখসহ রয়েছে সরকার দলের একাধিক নেতাকর্মী।

জানা গেছে, এ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সহযোগি সদস্য হিসেবে কংজরী চৌধুরী, লেয়াকত হোসেন চৌধুরী ও গ্রুপ সদস্য হিসেবে এস.এম শফি নির্বাচিত হয়েছেন। অবশিষ্ট ১২জন সাধারন সদস্য পদে লড়ছেন প্রতীকবিহীন ১৬জন প্রার্থী। ১৬জনের মধ্যে বিজয়ী ১২জনসহ ১৫জনের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে ১৫সদস্য বিশিষ্ট পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হবে। এ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা। আগামী ৮মার্চ খাগড়াছড়ি অফিসার্স ক্লাবে সকাল ৮টা হতে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৩৪৯জন ভোটার নীরব ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাধারন সদস্য পদে লড়ছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী যথাক্রমে জেলা আওয়ামীলীগ নেতা দিদারুল আলম, সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শানে আলম, দীঘিনালা উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবুল কাসেম, জেলা যুবলীগ নেতা কে.এম ইসমাইল হোসেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা চন্দন দে, ঠিকাদার গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী স্বপন চন্দ্র দেবনাথ, সুদর্শন দত্ত, তরুন ব্যবসায়ী নজির আহমেদ, মাটিরাঙার জাকির হোসেন, হাজী রফিক, আওয়ামীলীগ নেতা ক্যজরী মারমা, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ নেতা তাপস ত্রিপুরা, কাউন্সিলর অতীশ চাকমা, জসিম উদ্দিন ও ধীমান খীসা। প্রার্থীদের মধ্যে দিদারুল আলম, আবুল কাসেম, কে.এম ইসমাইল হোসেন, চন্দন দে ও জাকির হোসেন এবং তাদের সমর্থকরা সোশ্যাল নেটওয়ার্কে বেশ জোরেসোরে প্রচারনা চালানো চোখে পড়ার মতো।

এদিকে, সোমবার সন্ধ্যায় জেলা শহরে আওয়ামীলীগ নেতা দিদারুল আলমের পক্ষে ভোট চেয়ে ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে ভোট ভিক্ষায় নেমেছেন একঝাঁক আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী। তন্মধ্যে যুবলীগ নেতা সবুজ কুমার দে, সুলতান আহমেদ প্রমূখকে দেখা যায়। এছাড়াও অন্যান্য প্রার্থীরাও বেশ জোরেসোরে জেলা ছেড়ে উপজেলা পর্যায়েও ভোটারদের খুঁজে খুঁজে ভোট ভিক্ষায় নেমেছেন নানা প্রতিশ্রুতিতে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিমত, অতীতের মতো নহে, বরং নতুন উদ্যমে, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে যাহাদের দ্বারা এ জেলার সকল ব্যবসার সমন্বয় ঘটিয়ে ব্যবসায়ীদের অধিকার রক্ষাসহ জেলার উন্নয়ন ঘটাতে যারা যোগ্যতা রাখে তাদের নীরব ব্যালটে জয় নিশ্চিত করবে ভোটাররা।  তবে কোন চারজন প্রার্থী ছিটকে পড়ছেন তা জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ৮মার্চ বিকাল ৪টা পর ও ভোট গণণা শেষ পর্যন্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*