খাগড়াছড়ির মাটিরাঙায় আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর অফিস ভাংচুর

hamla Bangchurনিজস্ব প্রতিবেদক: জেলার মাটিরাঙা গোমতি বাজারে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফারুক হোসেন লিটন’র(আনারস) নির্বাচনী অফিস ভাংচুর করেছে সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা। গতকাল শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় সরকার দলীয় নেতাকর্মী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এদিকে, রাতেই এ ঘটনায় মাটিরাঙা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি পৌর মেয়র মো. শামসুল হককে প্রধান বিবাদী করে ৯জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে মাটিরাঙা থানার অফিসার ইনচার্জকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন ৪নং গোমতি ইউপি’র স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ইউপি যুবলীগের সভাপতি ফারুক হোসেন লিটন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, রাত আটটার দিকে পৌর মেয়র শামসুল হক ও উপজেলা আ’লীগের নেতা সুভাষ চাকমার নেতৃত্বে একটি ক্যাডারবাহিনী অতর্কিত ভাবে গোমতি বাজারস্থ তার নির্বাচনী অফিসে ভাংচুর চালায় এবং ফেরার পথে প্রকাশ্য হুমকি দেয় নির্বাচন থেকে সরে দাড়ানোর। তিনি এ ঘটনায় লিখিত ভাবে মাটিরাঙা থানাকে অবহিত করার পরও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এ ঘটনায় তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন। তিনি আরো জানান, গোমতি ইউনিয়নে জনসম্পৃত্ততা না থাকায়  স্বজনপ্রীতির মধ্যে দিয়ে আ’লীগ নেতা শামসুল হক তার আপন ভাতিজা তোফাজ্জল হোসেনের (নৌকা প্রতীক) টিকেট দিয়ে আমার সু-নিশ্চিত জয়কে বানচালের অপচেষ্ঠা চালিয়ে আসছেন।

তবে এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবী করে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি পৌর মেয়র শামসুল হক বলেছেন, যখন আমি গোমতি বাজারে যাই, ঠিক তখনি আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও সমর্থকরা আমাকে লক্ষ্য করে করুচিপূর্ণ শ্লোগানদিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। এসময় আচরণ বিধিতে বিক্ষোভ মিছিল করা নিষিদ্ধ বলে আ’লীগ প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের নির্দেশনা দেয়া হয়। এসময় গোমতি পুলিশ ফাড়িঁর দায়িত্ববান পুলিশ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

মাটিরাঙা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাহাদাত হোসেন টিটো এ ঘটনা তুচ্ছ ঘটনা দাবী করে বলেন, পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*