খাগড়াছড়িতে সাংবাদিকতায় মনোনীত গুণীজন

আবুল কাসেম: যাঁরা তাঁদের সৃজনশীল চিন্তা, মনন ও মেধা দিয়ে পাহাড়ে শান্তি, মানবতা ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা, সম্প্রীতির মেলবন্ধন সৃষ্টি এবং পাহাড়ের সংস্কৃতির বিকাশের লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন এবং এখনও যাচ্ছেন, যাঁরা তাঁদের লেখনী, শব্দমালা এবং অন্যান্য সৃজনশীল সৃষ্টির মাধ্যমে ভূমিকা রেখে আসছেন,  ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তির জেলা খাগড়াছড়ির এসব গুণী ব্যক্তিবৃন্দকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করে তোলার একটি প্রয়াস গুণীজন সংবর্ধনা। মহতি এ উদ্যোগ ২০১৬ সালে প্রথম খাগড়াছড়িতে শুরু করেন  খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।

এবছরও বৈসাবি উৎসবে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে গুণীজন সংবর্ধনা দেয়ার খবরে আনন্দে মাতোয়ারা শান্তিকামী পাহাড়ের বৈসাবি উৎসব পালনকারীরা। ১১এপ্রিল বৈসাবি উৎসবের বর্ণিল আনুষ্ঠানিকতার পর বিকেলে জেলা শহরের টাউনহলে গুণীজন সংবর্ধনায়ে সংবর্ধিত হবেন পাহাড়ের তিন কলমসৈনিক। এই তিন কলমসৈনিক সংবর্ধনা পাচ্ছেন পাহাড়ে ‘সংবাদ ও সাংবাদিকতায়’ ক্যাটাগরীতে। গুণীজন সংবর্ধনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নুরুল আমিন।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ সূত্র জানায়, সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতায় ক্যাটাগরীতে এবছর সংবর্ধনায় তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন পাহাড়ের সিনিয়র সাংবাদিক ‍সুনীল কান্তি দে (রাঙামাটি) খাগড়াছড়ির সিনিয়র সাংবাদিক সময় টেলিভিশনে কর্মরত জীতেন বড়ুয়া ও এস.এ টেলিভিশনে কর্মরত নুরুল আযম। গুণীজন সংবর্ধনা উপ-কমিটির আহবায়ক ও সদস্যবৃন্দ যাচাই-বাছাই করে সাংবাদিকতায় এবছর এ তিনজনকেই সংবর্ধনা প্রদানে চূড়ান্ত করেছে বলে জানায় সূত্রটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*