খাগড়াছড়িতে জমে ওঠেছে পার্বত্য উদ্যোক্ত ও সাংস্কৃতিক মেলা: না দেখলে থাকবে আফসোস!

নিজস্ব প্রতিবেদক: খাগড়াছড়ি জেলা শহরের সরকারি হাইস্কুল মাঠে জমে ওঠেছে ২০দিন ব্যাপি ‘পার্বত্য উদ্যোক্তা ও সাংস্কৃতিক মেলা’। মেলাকে ঘিরে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে মেলা প্রাঙ্গণ। পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী ও সংস্কৃতির রূপ এবং পাহাড়ী ও বাঙালির রঙের  সাজে সজ্জিত করা হয়েছে মেলার সবকটি স্টল। রয়েছে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন।
গতকাল শুক্রবার সকালে বর্ণিল ও জমকালো আয়োজনে মেলার উদ্বোধন করেছেন খাগড়াছড়ির সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার মীর মুশফিকুর রহমান এসইউপি, পিএসসি; জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আলী আহমদ খান, খাগড়াছড়ি সদর জোন কমান্ডার লে: কর্ণেল জিএম সোহাগ ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্যতম সদস্য খগেশ্বর ত্রিপুরা।
স্থানীয়দের অভিমত, এ যেন পাহাড়ী-বাঙালির মিলনমেলা। বৈসাবিকে ঘিরে স্থানীয় এনজিও আলাম মেলায় আয়োজন করলেও এ মেলায় আহবায়ক হিসেবে প্রতিনিয়ত মেলার আয়োজনকে আরো বেশি সুন্দর ও আনন্দময় করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্যতম সদস্য ও জেলা শিল্পকলার আহবায়ক খগেশ্বর ত্রিপুরা।
তিনি পার্বত্যবাণীকে জানান, এ মেলায় কোন প্রকার অশ্লীলতা বা জুয়া বোর্ডের স্থান নেই। এ মেলায় প্রত্যেক বয়সীসহ স্বপরিবারের অংশ নিতে পারছেন। মেলায় স্থান পেয়েছে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী মনোহারী স্টল ও ঐতিহ্যবাহী খাবার দোকান নিয়ে আজ পর্যন্ত ১১০টি স্টল বুকিং পেয়েছে। তাছাড়াও প্রত্যেক সন্ধ্যায় থাকছে ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠিদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। তাছাড়াও প্রতিটি সন্ধ্যায় জেলার বিশিষ্টজনদের নিয়ে থাকছে পাহাড়ের সংস্কৃতির বিকাশ সম্বলিত আলোচনা। যেখানে আসলে পাহাড়ের মানুষ পাবে পাহাড়ের সংস্কৃতির এক অপরূপ সমাগম। যারা এ মেলায় অংশ নিতে ব্যর্থ হবেন, তারা আফসোসে থাকবেন।
এদিকে, আলাম এনজিওর প্রধান মহাবীর চাকমা জানান, মেলায় রয়েছে সার্কাস, রেলগাড়ীসহ চিত্তবিনোদনের হরেক আয়োজন। দিন দিন মেলায় দর্শনার্থীর ভীড় বাড়ছে। এছাড়াও সকলের জন্য রয়েছে ভাগ্য যাচাইয়ে লাকী কূপন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*