খাগড়াছড়িতে চলছে ১৩৭৫জনের ভোট যুদ্ধ: ৪জনের বর্জন: স্থগিত-১ ইউনিয়ন

Election gমুহাম্মদ আবুল কাসেম: ২৩ এপ্রিল ৩য় ধাপে খাগড়াছড়ি জেলায় ৩২টি ইউনিয়নে ইউপি  নির্বাচন অনুুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জেলার ৮টি উপজেলার ৩৩টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১৩৫জন, সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে-২৯৩জন ও সাধারন ওয়ার্ডে ৯৪৭জন সহ সর্বমোট ১৩৭৫জন ভোট যুদ্ধে রয়েছেন। দিনভর, রাতজাগা প্রচারনার বৃহস্পতিবার রাতেই শেষ হলেও প্রার্থীরা স্ব-স্ব জয় নিশ্চিত করতে খাটাচ্ছেন নানা কৌশল। ফুলঝুড়ির প্রতিশ্রুতিতে ভোটার আকৃষ্ট করতে দুয়ারে দুয়ারে শেষ ভিক্ষা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা।

জেলা নির্বাচন অফিসের প্রদত্ত তথ্য ঘেটে দেখা যায়, খাগড়াছড়ি জেলার ৮টি উপজেলায় ৩৩টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী হলেন-৩৩জন, বিএনপি-২১জন, জাতীয়পার্টি-১, জাসদ-২, ইসলামী আন্দোলন-২ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন-৭৬জন। এছাড়া সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন-২৯৩জন নারী সদস্য। সাধারন ওয়ার্ডে লড়ছেন-৯৪৭জন, বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নির্বাচিত-৪জন, সাধারন ওয়ার্ডে নির্বাচিত-২০জন। ৩৩টি ইউনিয়নে সর্বমোট ভোটার হচ্ছে-২লক্ষ ৯৯হাজার ৭০জন। তন্মধ্যে পুরুষ-ভোটার-১লক্ষ ৫১হাজার ৮শ ৭৪জন ও মহিলা ভোটার-১লক্ষ ৪৭হাজার ১শ ৯৬জন ভোটার রয়েছে। মোট সাধারন ওয়ার্ড ২৯৭টি ওয়ার্ড, ৯৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা-৩০৪টি।

এদিকে, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, হুমকি ধমকি ও নির্বাচনী প্রচারনায় বাধার অভিযোগ এনে ইতোমধ্যে গত ২০এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পানছড়ি উল্টাছড়ি ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী কিরণ ত্রিপুরা ও ২১এপ্রিল এক বিৃবতিতে লক্ষ্মছড়ি উপজেলার আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী ১নং লক্ষ্মীছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী লেলিন কুমার চাকমা, ২নং দুল্যাতলী ইউনিয়নের চেয়ানম্যান প্রার্থী মো: নুরে আলাম ও ৩নং বর্মাছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী নিলবর্ণ চাকমা নির্বাচন বর্জনের ঘোষনা দিয়েছেন। অপরদিকে, বৃহস্পতিবার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নুরুল আলম জানিয়েছেন সীমানা বিরোধের কারনে উচ্চ আদালতের রীট পরবর্তী নির্দেশনামতে(হাইকোর্ট) মানিকছড়ি যোগ্যছোলা ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, চেয়ারম্যান পদে-খাগড়াছড়ি জেলা সদরের ৫টি ইউনিয়নে ২৬জন, পানছড়ি উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ২৬জন, লক্ষীছড়ি উপজেলার ৩টি ইউনিয়নে-১১জন, মহালছড়ি উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে-১৬জন, মানিকছড়ি উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ৮জন, দীঘিনালার ৩টি ইউনিয়নে ১৫জন, রামগড় উপজেলার ২টি ইউনিয়নে-৭জন, মাটিরাঙা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ২৬জনসহ সর্বমোট ১৩৫জন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।

খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার পাচটি ইউনিয়নে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী ২৬জন। তন্মধ্যে সদর ইউনিয়নে-৫জন, গোলাবাড়ী ইউপিতে-৭জন, কমলছড়িইউপি-৬জন, পেরাছড়া ইউপিতে ৩জন ও ভাইবোনছড়া ইউপিতে-৫জন লড়ছেন। এছাড়া সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য-৪১জন। সাধারন ওয়ার্ড প্রার্থী-১৪৩জন। চেয়ারম্যান পদে এ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী ৫জন, বিএনপি-১ ও জাসদ-১, স্বতন্ত্র-১৯। ৫টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা-৪২৭২৮জন, পুরুষ-২১৪৯০জন ও মহিলা-২১২৪২জন। মোট ভোট কক্ষ-১৩৫টি। ১নম্বর খাগড়াছড়ি সদর ইউপিতে মোট ভোটার ৬৩২৯জন, পুরুষ-৩১৭৫জন, মহিলা-৩১৫৪ জন, ভোট কক্ষ-২০টি, এ ইউনিয়নে ৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন-৭প্রার্থী ও ৯টি সাধারন ওয়ার্ডে প্রার্থী রয়েছে-২৭জন। ২নম্বর কমলছড়ি ইউপিতে ভোটার-৯৪৪৬জন, পুরুষ-৪৮০৩জন, মহিলা-৪৬৪৩জন, ভোট কক্ষ-৩০টি, তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ১১জন ও সাধারন ৯টি ওয়ার্ডে ৩১জন প্রার্থী। ৩নম্বর গোলাবাড়ী ইউপিতে ভোটার-৬৩৫২ জন, পুরুষ-৩১৭৮ জন, ৩১৭৪ জন, ভোট কক্ষ-২২টি।তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ০৮জন ও সাধারন ৯টি ওয়ার্ডে লড়ছেন ৩৭জন প্রার্থী। ৪নম্বর পেরাছড়া ইউপিতে ভোটার-৭৩৮০জন, পুরুষ-৩৬৮২ জন, মহিলা-৩৬৯৮ জন, ভোট কক্ষ-২৪টি। তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ০৯জন ও সাধারন ৯টি ওয়ার্ডে ২১জন। ৫নম্বর ভাইবোনছড়া ইউপি: ভোটার-১৩২২১জন, পুরুষ-৬৬৫২, মহিলা-৬৫৬৯, ভোট কক্ষ-৩৯টি। তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ০৮জন ও সাধারন ৯টি ওয়ার্ডে ২৯জন প্রার্থী।

পানছড়ি:উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী ২৬জন। সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য-৫০জন, সাধারন ওয়ার্ড প্রার্থী-১৪০জন, বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নির্বাচিত-১জন ও সাধারন ওয়ার্ডে ৩জন নির্বাচিত। চেয়ারম্যান পদে-চেংগী ইউপিতে-৭জন, লতিবান ইউপি-৪জন, লোগাং ইউপি-৫জন, পানছড়ি ইউপি-৫জন ও উল্টাছড়ি ইউপি-৫জন। তন্মধ্যে-আওয়ামীলীগ প্রার্থী-৫জন, বিএনপি-২জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ১৯জন। ৫টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা- ৪৬২৩৯জন, পুরুষ-২৩৫৯৩, মহিলা-২২৬৪৬। মোট ভোট কক্ষ-১৩৪। ১নম্বর লোগাং ইউপিতে মোট ভোটার ৮৭৯৫জন, পুরুষ-৪৩৯৮জন, মহিলা-৪৩৯৭ জন,  ভোট কক্ষ-২৫টি, এ ইউনিয়নে ৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন-১০প্রার্থী ও ৯টি সাধারন ওয়ার্ডের মধ্যে ২ ও ৬নং ওয়ার্ডের হিসাব ব্যতিরেকে প্রার্থী রয়েছেন-২৯জন। ২নম্বর চেংগী ইউপিতে মোট ভোটার-৬০১৯, পুরুষ-৩০৩৮জন, মহিলা-২৯৮১জন, ভোট কক্ষ-২০টি। তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ১১জন ও সাধারন ৯টি ওয়ার্ডে ২৭জন প্রার্থী রয়েছেন। ৩নম্বর পানছড়ি ইউপিতে মোট ভোটার-১৬৭০২জন, পুরুষ-৮৮৭৩জন, ৭৮২৯জন, ভোট কক্ষ-৪৩টি।তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ১২জন ও সাধারন ৯টি ওয়ার্ডে লড়ছেন ২৬জন প্রার্থী। ৪নম্বর লতিবান ইউপিতে মোট ভোটার-৬৪৬৫জন, পুরুষ-৩২৮৮জন, মহিলা-৩১৭৭জন, ভোট কক্ষ-২১টি। সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ৬জন ও সাধারন ৯টি ওয়ার্ডে ২৬জন। উল্লেখ্য যে, ৩নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ও ৭নং সাধারন ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন-২জন। ৫নম্বর উল্টাছড়ি ইউপিতে মোট ভোটার-৮২৫৮জন, পুরুষ-৩৯৯৬জন, মহিলা-৪২৬২জন, ভোট কক্ষ-২৫টি। তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ১১জন ও সাধারন ৯টি ওয়ার্ডে ২৮জন প্রার্থী।

 লক্ষীছড়ি: উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী-১১জন। তন্মধ্যে আওয়ামীলীগ প্রার্থী-৩জন, বিএনপি-২জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী-৬জন। চেয়ারম্যান পদে দুল্যাতলী ইউপি-৪জন, লক্ষ্মীছড়ি ইউপি-৩জন ও বর্মাছড়ি ইউপিতে-৪জন লড়ছেন। এছাড়া সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য-২১জন, সাধারন ওয়ার্ড প্রার্থী-৮১জন, বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নির্বাচিত-০১জন ও সাধারন ওয়ার্ডে-০২জন নির্বাচিত। ৩টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা-১৭৩৪৩জন, পুরুষ-৮৯৩৫, মহিলা-৮৪০৮। মোট ভোট কক্ষ-৫৭টি। তন্মধ্যে ১নম্বর লক্ষীছড়ি ইউপিতে মোট ভোটার ৭৮৫২জন, পুরুষ-৪১৩৬জন, মহিলা-৩৭১৬ জন, ভোট কক্ষ-২১টি, এ ইউনিয়নে ৩টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন-০৯প্রার্থী ও ৯টি সাধারন ওয়ার্ডের প্রার্থী রয়েছেন-২৭জন। ২নম্বর দুল্যাতলী ইউপিতে মোট ভোটার-৪৯২৬, পুরুষ-২৪৫৬জন, মহিলা-২৪৭০জন, ভোট কক্ষ-১৮টি। তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ০৫জন ও সাধারন ৮টি ওয়ার্ডে ২৭জন প্রার্থী রয়েছেন। এ ইউনিয়নে ৩নং সংরক্ষিত আসন হতে কুসুম তারা চাকমা বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হন। এছাড়া ৭নং সাধারন ওয়ার্ড হতে সাধন রঞ্জন চাকমা ও ৯নং ওয়ার্ড হতে বিমল চাকমা নির্বাচিত হয়েছেন। ৩নম্বর বর্ম্মাছড়ি ইউপিতে মোট ভোটার-৪৫৬৫জন, পুরুষ-২৩৪৩জন, মহিলা-২২২২জন, ভোট কক্ষ-১৮টি।তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ০৬জন ও সাধারন ৯টি ওয়ার্ডে লড়ছেন ২৭জন প্রার্থী।

মহালছড়ি: উপজেলার চারটি ইউনিয়নে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী-১৬জন। তন্মধ্যে ক্যায়াংঘাট ইউপিতে-৮জন, মহালছড়ি ইউপিতে-৩জন, মাইসছড়ি ইউপিতে-৩জন ও মুবাছড়ি ইউপিতে-২জন। এ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী-৪জন, বিএনপি-২জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ১০জন। সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য-৪০জন, সাধারন ওয়ার্ড প্রার্থী-১২২জন, বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নির্বাচিত-০১জন ও সাধারন ওয়ার্ডে-০৪জন নির্বাচিত। ৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা-২৯৫০০জন, পুরুষ-১৫২৯২, মহিলা-১৪২০৮ । মোট ভোট কক্ষ-৯৪টি। মহালছড়ি সদর ইউনিয়নে মোট ভোটার ১১৫৯৮জন, পুরুষ-৬২০০জন, মহিলা-৫৩৯৮জন, ভোট কক্ষ-৩৩টি, এ ইউনিয়নে সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন-১২প্রার্থী ও ৮টি সাধারন ওয়ার্ডের প্রার্থী রয়েছেন-২৮জন। মুবাছড়ি ইউপিতে মোট ভোটার-৪৭৭৬জন, পুরুষ-২৪২০জন, মহিলা-২৩৫৬জন, ভোট কক্ষ-১৮টি। সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ০৬ জন ও সাধারন ৭টি ওয়ার্ডে ২৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। ক্যায়াংঘাট ইউপিতে মোট ভোটার-৫৫৫৮জন, পুরুষ-২৮৪৯জন, মহিলা-২৭০৯জন, ভোট কক্ষ ১৮টি।তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ১০জন ও সাধারন ৯টি ওয়ার্ডে লড়ছেন ৩২জন প্রার্থী। মাইসছড়ি ইউপিত মোট ভোটার-৭৫৬৮জন, পুরুষ-৩৮২৩জন, মহিলা-৩৭৪৫জন, ভোট কক্ষ-২৫টি।তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে লড়ছেন ১১জন ও সাধারন ৮টি ওয়ার্ডে লড়ছেন ৩৩জন প্রার্থী।

মানিকছড়ি: উপজেলার চারটি ইউনিয়নে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী-৮জন। তন্মধ্যে বাটনাতলী ইউপিতে-২জন, মানিকছড়ি ইউপি-২জন, যোগ্যাছোলা-৩জন ও তিনটহরী ইউপি-১জন। এ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী-৪জন, বিএনপি-৩ ও স্বতন্ত্র-১জন। সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য-৩২জন, সাধারন ওয়ার্ড প্রার্থী-৮১জন, বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নির্বাচিত-১জন ও সাধারন ওয়ার্ডে-১০জন নির্বাচিত। ৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা-৩৯৮১৫জন, পুরুষ-১৯৮৫০জন ও মহিলা-১৯৯৬৫জন। মোট ভোট কক্ষ-১২১টি, ভোট কেন্দ্র-৩৬টি।

রামগড়: উপজেলার ২টি ইউনিয়নে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী-৭জন। তন্মধ্যে- পাতাছড়া ইউপি-৩জন ও রামগড় সদর ইউপিতে-৪জন। এ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী-২জন, বিএনপি-২ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী-৩জন। সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য-১৯জন, সাধারন ওয়ার্ড প্রার্থী-৬০জন।

দীঘিনালা: উপজেলার ৩টি ইউনিয়নে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী-১৫জন। তন্মধ্যে- বোয়ালখালী ইউপি-৫জন, কবাখালি ইউপি-৪জন, মেরুং ইউপি-৬জন। এ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী-৩জন, বিএনপি-২, জাসদ-১, ইসলামী আন্দোলন-১ ও স্বতন্ত্র-৮জন। সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য-৩০জন, সাধারন ওয়ার্ড প্রার্থী-১১০জন।

মাটিরাঙা: উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী-২৬জন। তন্মধ্যে- বড়নাল ইউপিতে-৪জন, আমতলি ইউপি-৩জন, বেলছড়ি ইউপি-৪জন, গোমতি ইউপি-৩জন, মাটিরাঙা সদর ইউপি-৩জন, তবলছড়ি ইউপি-৪জন, তাইন্দং ইউপি-৫জন। এ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী-৭জন, বিএনপি-৭জন, ইসলামী আন্দোলন-১, জাতীয় পার্টি-১ ও স্বতন্ত্র-১০জন। সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য-৬০জন, সাধারন ওয়ার্ড প্রার্থী-২১০জন, বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সাধারন ওয়ার্ডে-০১জন নির্বাচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*