খাগড়াছড়িতে অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনীতে প্রানবন্ত উপচেপড়া ভীড়

Acroনিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাণবন্ত ও উপচেপড়া ভীড়ের মধ্যে দিয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্টপোষকতায় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে ও খাগড়াছড়ি জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি টাউনহলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৮৩তম অ্যাক্রোবেটিক (সার্কাস) প্রদর্শনী।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে অ্যাক্রোবেটিক (সার্কাস) প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও শিল্পকলা একাডেমির আহবায়ক খগেশ্বর ত্রিপুরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পুলিশ মো. মজিদ আলী, ডিজিএফআই অধিনায়ক লে: কর্ণেল গাজী মুহাম্মদ সাজ্জাদ পিএসসি, খাগড়াছড়ি জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মংসাথোয়াই চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির  সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক জীতেন বড়–য়া। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দলের প্রদর্শনী সমন্বয়কারী সুজন মাহাবুব অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনীয় উদ্দেশ্য তুলে ধরেন।
এদিকে,  দ্বিতীয় বারের ন্যায় খাগড়াছড়িতে অ্যাক্রোবেটিক (সার্কাস) প্রদর্শনীতে স্থানীয়দের উপচেপড়া ভীড় হয় অনুষ্ঠানস্থলে। দর্শকরা প্রতিক্রিয়ায় জানান, একদিকে বৈসাবির আনন্দ, অন্যদিকে সার্কাস প্রদর্শনীর আয়োজনে যেন মনমুগ্ধকর এক সন্ধ্যা পার করেছে জেলাবাসী।

Acrobatikসার্কাস প্রদর্শনীতে জলি সিমেন্স, হ্যান্ড স্কীল, আংকারাসা, বাম্বরোপ রাউন্ড, ব্রিক স্কীল, ওয়ার ব্যালেন্স, চেয়ার সেটিং, ব্যারেল ব্যালেন্স, মাউথ স্কীল, রিং জাম্প, টপ টু আমব্রেলা, সাইকেলিং ফায়ার, রোলার ব্যালেন্স, রিং  ডান্স, বডি ব্যালেন্সসহ নানা পরিবেশনা প্রদর্শন করে অ্যাক্রোবেটিক দল।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক শিল্পের বিকাশ উন্নয়নের জন্য সারাদেশে অ্যাক্রোবেটিক (সার্কাস) প্রদর্শনীর আয়োজন করছে। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা খাগড়াছড়ি জেলায় অ্যাক্রোবেটিক (সার্কাস) শিল্পীর যথেষ্ঠ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে এ জেলায় অ্যাক্রোবেটিক শিল্পী সৃষ্টি ও প্রশিক্ষণের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*