কাল খাগড়াছড়ি যাচ্ছেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের: বরণ করতে প্রস্তুত দুই গ্রুপ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামীকাল (মঙ্গলবার) খাগড়াছড়িতে সাংগঠনিক সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নতুন সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে  খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীসহ উজ্জীবিত জেলার সাধারন জনমানুষ। জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে নির্মাণ করা হয়েছে স্বাগতম, অভিনন্দন তোড়ন এবং মন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুতি নিয়েছে খাগড়াছড়ি জেলা  আওয়ামীলীগের সৃষ্ট দুটিই (এমপি গ্রুপ-জাহেদ গ্রুপ)গ্রুপ ।

ইতোমধ্যে রোববার বিকালে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগ’র অস্থায়ী কার্যালয়ে প্রস্তুতি সভা করেছে জেলার সাংসদ ও জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা। জেলা আওয়ামীলীগ সূত্র জানায়, জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে মঙ্গলবার সকালে ১১টায় খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে ঐতিহাসিক সম্মেলনে প্রধান  অতিথি’র বক্তব্য রাখবেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন খাগড়াছড়ির সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।

এদিকে, সোমবার সকাল হতে রাত অবদি খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে সম্মেলনের স্টেইজ ও ডেকোরেশন কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে জেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। বিকালে সম্মেলনস্থল ঘুরে দেখেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি পাজেপ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরীসহ দলের নেতাকর্মীরা। অপরদিকে, মন্ত্রীর আগমনে খাগড়াছড়িতে সন্ধ্যায় পৌছেছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য দীপংকর তালুকদার, তিন পার্বত্য জেলার সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ফিরোজা বেগম চিনু।

এদিকে, মন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জাহেদুল আলমের অনুসারীরা। তাদের বক্তব্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সড়ক পরিবহণ সেতুমন্ত্রীর আগমনে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগ  উজ্জীবিত ও আনন্দিত।

জেলা জুড়ে আলোচনার ঝড়: খাগড়াছড়িতে  সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের আগমনে জেলা রাজনৈতিক মহলসহ  জেলা জুড়ে বিশেষ করে একটি বিষয়ে আলোচনার ঝড় ওঠেছে। মন্ত্রীর আগমনে কি জেলা আওয়ামীলীগের কোন্দল নিরসন হবে? নাকি চমক থাকছে মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের আগমনে।

প্রসঙ্গত: ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে খাগড়াছড়ি পৌরসভা নির্বাচনে জেলা আওয়ামীলীগের জাহেদুল আলমের ছোট ভাই বর্তমান মেয়র রফিকুল আলম ও আওয়ামী প্রার্থী শানে আলম মেয়র পদে প্রতিদ্বন্ধিতায় খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী দুর্গে জাহেদুল আলম ও এমপি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার নামে দুটি গ্রুপ সৃষ্টি হয়। দু’টি গ্রুপই আধিপত্য ধরে রাখতে মরিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*