এবছরো খাগড়াছড়িতে গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হবে: পাজেপ চেয়ারম্যান কংজরী

DSC_5004নিজস্ব প্রতিবেদক: এবছরো খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে সমাজের নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে গুণীজনদের সন্মাননা প্রদান করা হবে। এমনটাই জানালেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।

তিনি আজ মঙ্গলবার সকালে একুশে পদকপ্রাপ্ত  গুনী লেখক মংছেন ছীং মংছিন ও বাংলা একাডেমী  পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক গবেষক প্রভাংশু ত্রিপুরাকে খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি ইনস্টিটিউট’র পক্ষ হতে সম্বর্ধনাকালে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিষদের তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদের উদ্যোগে গুণীজনদের সন্মাননা প্রদান করা শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবছরো বৈসাবিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরীসহ নুতনভাবে ক্রীড়া ও সাংবাদিকতায় অবদান স্বরূপ গুণীজনদের সন্মাননা প্রদান করা হবে।

তিনি বলেন, সমাজ ও সমাজের মানুষের কল্যাণে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যারা কাজ করে গেছেন তারাই গুণীজন। গুণীজনদের উপযুক্ত সম্মাননা প্রদান করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। যুগে-যুগে এসব গুণীজনরা নিজের দায়বদ্ধতা মনে করে সমাজের উন্নয়ন করে গেছেন। তারা আগামী প্রজন্মের কাছে অমর হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নববিক্রম কিশোর ত্রিপুরা এনডিসি। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি’র সহধর্মিনী সংগীত শিল্পী অনামিকা ত্রিপুরা।

প্রসংগত: গত বছর সমাজের নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ ৯ ক্যাটাগরিতে সর্বমোট ২২ গুণীজনকে সন্মাননা প্রদান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে প্রথমবারের মতো খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ।

যারা পেয়েছিলেন গুণীজন সন্মাননা: নবীন কুমার ত্রিপুরা (মরণোত্তর), অনন্ত বিহারী খীসা, মংশিপ্রু চৌধুরী, কৃষ্ণ কিশোর চাকমা (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধে সুলতান আহম্মেদ (মরণোত্তর)ও হাজী দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী, শান্তি ও সম্প্রীতিতে হংস্বধ্বজ চাকমা (মরণোত্তর) ও নকুল চন্দ্র ত্রিপুরা। সমাজসেবায় নগেন্দ্র নারায়ণ ত্রিপুরা (মরণোত্তর), চাইলাপ্রু চৌধুরী, খুলরাম চাকমা এবং হাজী বাদশা মিয়া সওদাগর (মরণোত্তর)। সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অশোক কুমার দেওয়ান ও সুরেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (মরণোত্তর), নন্দ রানী চাকমা এবং বরেন ত্রিপুরা। সাংবাদিকতায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবোধ বিকাশ ত্রিপুরা ও তরুণ কুমার ভট্টাচার্য্য। নারী অধিকার সুরক্ষায় ইন্দিরা দেবী চাকমা ও শেফালিকা ত্রিপুরা। ক্রীড়ায় খোকন দত্ত (মরণোত্তর) ও কালাচাঁদ দেববর্মা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*