এক বছর পেরিয়ে কংজরীরা : ভিশন-উন্নতসমৃদ্ধ খাগড়াছড়ি (২)

khdcনিজস্ব প্রতিবেদক: জেলার একাধিক শিক্ষাবিদ ও শিক্ষানুরাগির অভিমত, ফিরে দেখা বছরে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদে ফিরে এসেছে গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা। ইতোপূর্বে অন্তবর্তীকালীন পরিষদের চেয়ারম্যান’র সাথে জেলার সাংসদের বিরোধ প্রকাশ্য দেখা দিলেও তার বিপরীতে বর্তমান কংজরী চৌধুরীর আমলে স্থানীয় সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরার মধ্যে সমন্বয়তা পরিলক্ষিত। অধিকাংশই আচার-অনুষ্ঠানে বর্তমান চেয়ারম্যান সাংসদের নেতৃত্ব বিষয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করতে দেখা যায়। এ ধরনের সমন্বয়তার ফলে খাগড়াছড়িবাসী উপকৃত হচ্ছেন বলে অভিমত জেলার অনেকের। ফলে এ ধারা অব্যাহত থাকলে জেলাবাসীর আর্থ সামাজিক উন্নয়ন কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বর্তমান পরিষদ।

অপরদিকে, জেলার একাধিক ঠিকাদারদের সাথে কথা বলে জানা যায়,  বর্তমান পরিষদের উদারতা ও সরকারের আইন আদেশকে সম্মান প্রদর্শন করে চলতি অর্থ বছরের সবকটি  প্রকাশ্য টেন্ডার দিয়ে যেমনি ঠিকাদারদের মাঝে প্রানচাঞ্চ্যতা ফিরে এসেছে তেমনি উন্নয়নমূলক কাজেরও গুণগতমান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ঠিকাদার জানান, ঠিকাদারী কাজ নিয়ন্ত্রণের সিন্ডিকেটধারীদের কারনে জেলার অনেক ঠিকাদার কিভাবে টেন্ডারে অংশ নেয় তাও ভুলে যাওয়ার পথে ছিল। যা এ আমলেই পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে এসেছে কিছুটা স্বচ্ছতা।

জেলার বিজ্ঞজনদের মতে, ঠিকাদারী কাজের স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার মধ্যে দিয়ে অনিয়ম, দুর্ণীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশিও বর্তমান পরিষদ চেয়ারম্যান নিজের কার্যক্রম পরিচালনায় যেন শিক্ষাবান্ধব চেয়ারম্যান হিসেবে নিজেকে ইতোমধ্যে পরিচয় দিয়েছেন। ক্ষমতায় আসার পর পরই তিনি যুগান্তকারী একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেন। জেলার অনগ্রসর এলাকায় শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়নে তিনি গতবছরের ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের আয়োজনে ও পার্বত্য জেলা পরিষদ এবং সচেতন  নাগরিক কমিটি (সনাক) এর সহযোগিতায় এক মতবিনিময় শহর এলাকার শিক্ষকদের দুর্গম এলাকায় বদলির মাধ্যমে সমতা আনয়ন করা হবে সিদ্ধান্ত নিয়ে জেলাজুড়ে আলোচনায় চলে আসেন প্রচন্ড গতিতে পাজেপ চেয়ারম্যান চৌধুরী। এ সিদ্ধান্তে শহর এলাকার শিক্ষকরা ও দুর্গম এলাকার শিক্ষকরা স্বাভাবিকতায় গ্রহণ করলেও শিক্ষক সংকট যেন পিছু ছাড়ছেনা এ জেলায়। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, এখনো শহর এলাকা ও দুর্গম এলাকায় অসংখ্য প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক সংকটতায় পাঠদান অব্যাহত রয়েছে।

তিন পাবর্ত্য জেলায় পর পর দু’বার প্রাথমিক বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করা হলেও এ জেলায় দীর্ঘদিন যাবত ঝুলে আছে শিক্ষক নিয়োগ। তন্মধ্যে জেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পদেটিও ছিল দীর্ঘদিন শূণ্য। এসব কারনে শিক্ষক নিয়োগে আইনী জটিলতাও নিরসন করে পাজেপ চেয়ারম্যান ঘোষনা দেন এপ্রিলের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগের ঘোষনা দেন। এ ঘোষনায় জেলা জুড়ে বেকার শিক্ষিত যুবদের মাঝে দেখা দিয়েছে উৎফুল্লতা।

প্রিয় পাঠক: এ সংক্রান্তে চলমান  সংবাদ পড়তে চাইলে ভিশন-উন্নতসমৃদ্ধ খাগড়াছড়ি (২) শিরোনাম দেখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*