একাদশে ভর্তি নিয়ে দু:শ্চিন্তা আর নয়: ২৮জুন থেকে উন্মুক্ত

ভর্তিপার্বত্যবাণী ডেস্ক:  একাদশ শ্রেণীর ভর্তিতে সংকট এড়াতে নতুন কৌশল নিচ্ছে সরকার। মেধা এবং অপেক্ষমাণ তালিকায় ভর্তি শেষ হলে (ভর্তি) উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। কোনো কলেজে আসন শূন্য থাকলে শিক্ষার্থীরা সেখানে সরাসরি ভর্তি হতে পারবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সরকার চায় কোনো শিক্ষার্থী যেন ভর্তির বাইরে না থাকে। তাই মেধা তালিকা এবং অপেক্ষমাণ তালিকার শিক্ষার্থীদের ভর্তির পর যদি কোনো কলেজে আসন খালি থাকে, তাহলে সেখানে শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে। ২৮ জুনের পর আমরা এই সুযোগটি দেব। ওই তারিখের পর ভর্তি উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।’ ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, সরকারি নীতিমালা হচ্ছে, সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকায় ১ হাজার টাকা। পৌর (জেলা সদর) ২ হাজার টাকা। ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকা। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সেশন ফিসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে ৫ হাজার টাকা। আধা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে এই ফি ৮ হাজার এবং ইংরেজি ভার্সনে ১০ হাজার টাকা নেয়া যাবে। কোনোভাবেই উন্নয়ন ফি ৩ হাজারের বেশি হবে না। নীতিমালার বাইরে কেউ অর্থ নিলে সেসব প্রতিষ্ঠানকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। মেধাতালিকা থেকে সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি কার্যক্রম ২২ জুন পর্যন্ত চলবে। একটি কলেজ ও মাদ্রাসায় যে ক’টি আসন আছে, প্রথম তালিকায় সেই ক’জন শিক্ষার্থীকে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এখন নির্বাচিত কলেজগুলোর মধ্যে পছন্দের ভিত্তিতে যে কোনো একটিতে ভর্তি হবে। একজন শিক্ষার্থী একাধিক কলেজে চান্স পেয়ে থাকলেও ভর্তি না হওয়া (কলেজের) আসনগুলো শূন্য দেখানো হবে। অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীরা ওইসব শূন্য আসনে ভর্তি হবে। প্রথম তালিকার ভর্তির পর আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ২৫ থেকে ২৭ জুনের মধ্যে ভর্তি করা হবে। অবশিষ্ট আসনে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ভর্তির সময় ২৮ থেকে ৩০ জুন। ক্লাস শুরু হবে ১০ জুলাই। তথ্যসূত্র: দৈনিক ‍যুগান্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*