ইতি চাকমার খুনীদের গ্রেফতারের দাবীতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ

SAMSUNG CAMERA PICTURES

SAMSUNG CAMERA PICTURES

নিজস্ব প্রতিবেদক: খাগড়াছড়িতে চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্রী ইতি চাকমার হত্যাকান্ডের ১ সপ্তাহ পার হলেও প্রকৃত রহস্য এখনো উদ্ঘাটন হয়নি। ইতোমধ্যে এই চাঞ্চল্যকর খুনের রহস্য উদঘাটনে পুলিশকে তদন্তে সহযোগিতা করতে মাঠে নেমেছে সিআইডি পুলিশ।  আজ রোববার ইতিচাকমার হত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটন, খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে শহরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের সাধারন শিক্ষার্থীরা। সকাল ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা কলেজ থেকে মিছিল নিয়ে বের হয়ে চেংগীস্কোয়ার হয়ে শহরের মহাজনপাড়া এলাকায় সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ সমাবেশ করে । এসময় প্রায় আধাঘন্টা শহরের প্রধান সড়কে যানচলাচল বন্ধ থাকে। খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৪র্থ বর্ষের ছাত্র উৎপল ত্রিপুরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী, নিঅংগ্য মারমা, ধন কিশোর ত্রিপুরা, টুটুল চাকমা, রিটন তালুকদার এবং নুশ্যাচিং মারমা।
খাগড়াছড়ি পুিলশ জানায়, চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্রী ইতি চাকমার খুনের রহস্য উদঘাটনে পুলিশকে তদন্তে সহযোগিতা করতে মাঠে নেমেছে সিআইডি পুলিশ।২ রা মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে সিআইডি চট্টগ্রামের ইন্সপেক্টর মিতশ্রী বড়–য়ার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন। সিআইডি চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইন্সপেক্টর মিতশ্রী বড়–য়া সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয় পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য এসেছেন।  সিআইডি পুলিশেরও ধারনা, একার পক্ষে এ হত্যাকান্ড সম্ভব নয়। হত্যাকারীরা  একাধিক ও পূর্ব পরিচিত হতে পারে। ইতি চাকমাকে হত্যার আগে নেশা জাতীয় মেশানো কিছু খাওয়ানো হতে পারে এবং মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্যে গলা কাটা হতে পারে।

প্রসঙ্গত: গত সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে খাগড়াছড়ি শহরের আরামবাগ এলাকার স্থানীয় বাবুল নাগের মালিকানাধীন ভগ্নিপতি অটল চাকমার ভাড়া বাসা হতে পুলিশ খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজে ২য় বর্ষে অধ্যয়নরত ইতিচাকমার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে। ইতি চাকমা জেলার দীঘিনালা উপজেলার ছনখোলাপাড়ার মৃত অন্ত্ররেন্দ্রীয় চাকমার কন্যা। এ ঘটনায় পুলিশ ভগ্নিপতির বন্ধুকে আটক করে ৭দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*